নির্বাচনী গণসংযোগকালে পৌর এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, “ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও কী কাজ হচ্ছে, কী ধরনের উন্নয়ন হচ্ছে, এ বিষয়ে জনগণ কিছুই জানেন না।”

তিনি বলেন, জনগণের অর্থে পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। কোন প্রকল্পের জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে কারা রয়েছেন, কাজের মেয়াদ কত এবং এখন পর্যন্ত কতটুকু কাজ সম্পন্ন হয়েছে—এসব তথ্য জনগণের সামনে প্রকাশ করা উচিত।

দেলাওয়ার হোসেনের অভিযোগ, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না; সেই অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে কি না, কাজের মান ঠিক আছে কি না এবং নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ হচ্ছে কি না—সেটিও জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ ও নজরদারি বাড়াতে হবে। প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে প্রকাশ করা হলে সাধারণ মানুষ সহজেই উন্নয়নকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারবেন।

এদিকে পৌরবাসীর একাংশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, ড্রেনেজ, সড়কবাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে তাদের প্রত্যাশা রয়েছে। তবে এসব কাজের প্রকল্পভিত্তিক বরাদ্দ, ব্যয় ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকায় অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে।

তবে ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি, প্রকল্পের তালিকা ও ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত এর পূর্ণাঙ্গ সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বক্তব্য জানা গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা প্রয়োজন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিষয়টি ইতোমধ্যে প্রার্থীদের প্রচারে গুরুত্ব পাচ্ছে। দেলাওয়ার হোসেনও নির্বাচিত হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার কথা বলছেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দেলাওয়ার হোসেন বর্তমানে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

এমএম