শনিবার সকালে কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করলে ভারতীয় নাগরিক দীপঙ্কর গোপকে (৩০) ধরে বিরাজোত এলাকায় নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। পরে তিনি বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয়দের হেফাজতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
দীপঙ্কর গোপ ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ থানার চাউলহাটি তশনপাড়া এলাকার মিশ্রিলাল গোপের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে দীপঙ্কর গোপ কাঁটাতারের বেড়ার ওপাশের একটি চা-বাগানে কাজ করতে এসেছিলেন। একপর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে বিরাজোত এলাকায় নিয়ে আসেন।
এর আগে গত বুধবার সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের বিরাজোত এলাকার বাসিন্দা মো. তমিজ উদ্দীন (৭৮) গরু খুঁজতে বাড়ি থেকে বের হন। একপর্যায়ে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কাছে গেলে বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয়দের ভাষ্য, তমিজ উদ্দীন বয়স্ক এবং কানে কম শোনেন। পাশাপাশি তিনি ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না। গরু খুঁজতে গিয়ে অসাবধানতাবশত সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে চলে যাওয়ার পর বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে যায় বলে দাবি করেন তারা।
তমিজ উদ্দীনের ছেলে আজাহার বলেন, তাঁর বাবা কোনো অপরাধ করেননি। গরু খুঁজতে গিয়ে সীমান্তের কাছে চলে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, বাবাকে ফেরত দিলে ভারতীয় নাগরিক দীপঙ্কর গোপকেও ছেড়ে দেওয়া হবে।
এদিকে, তমিজ উদ্দীনকে ফেরত আনা এবং ভারতীয় নাগরিক দীপঙ্কর গোপের বিষয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
তবে এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এস