শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা মাঠে শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ১০০ ঘর নির্মাণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘শুধু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার নয়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও গবাদিপশুপালকদের জন্যও সরকার সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যাদের বীজতলা, চারা বা কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের সার, বীজসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতির জরিপ করে সহায়তা দেওয়া হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, সড়কসহ সব ধরনের অবকাঠামো দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার সবসময় দেশের মানুষের পাশে থাকবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করবে।’

সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দিতে শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুই দিনের সরকারি সফরে কক্সবাজারে এসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কর্সসূচি অনুযায়ী, দুপুরে কক্সবাজার সার্কিট হাউসে ফিরে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম নেওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন সালাহউদ্দিন আহমদ এবং রাত ৮টা ৫ মিনিটে বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।

এস