মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়ার পথে মারা যান তারা।

নিহতরা হলেন- নৌযানটির গ্রিজার (ইঞ্জিন বিভাগের কারিগরি কর্মী) মো. রুবেল (৩২) ও শাহ আলম (৪০)। ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়ার পথে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের মৃত্যু হয়।

বুধবার (০১ জুলাই) নৌযানটির ক্যাপ্টেন জুবায়ের মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঢাকায় নেওয়া তিন দগ্ধ ব্যক্তির মধ্যে রুবেল ও শাহ আলম মারা গেছেন। রুবেলের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপায়। বুধবার সকাল ১০টায় জানাজা শেষে সেখানে তাকে দাফন করা হয়েছে। শাহ আলমের বাড়ি নোয়াখালী। সকাল ৮টায় জানাজা শেষে সেখানেই তাকে দাফন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নৌযানটির ক্যাডেট প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান তামিম বর্তমানে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের প্রায় শতভাগ দগ্ধ হয়েছে এবং তার অবস্থা সংকটাপন্ন।

এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) বেলা পৌনে ১টার দিকে কর্ণফুলী নদীতে নোঙর করা এফভি দেশ নামের ফিশিং ভেসেলের ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণের পর আগুন লাগে। এতে এফভি দেশের ক্যাডেট প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান তামিম, গ্রিজার রুবেল, শাহ আলম এবং পাশে নোঙর করা এফভি ডিজনি-এর নাবিক নিজাম উদ্দিন, মো. রাসেল ও ছিদ্দিক আহমেদ দগ্ধ হন।

দুর্ঘটনার পর আহত ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর দগ্ধ আশিকুজ্জামান, রুবেল ও শাহ আলমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পথে রুবেল ও শাহ আলমের মৃত্যু হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান ডা. মোহাম্মদ এস খালেদ বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা বাকি তিন নাবিকের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় বুধবার সকালে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

এস