সকালে সূর্যের মুখ দেখা গেলেও আকাশে কুয়াশার কারণে রোদের প্রখরতা ছিল খুব কম। এদিকে কুয়াশার প্রভাব কিছুটা কমলেও উত্তরের হিমেল বাতাস আর কনকে শীতে ছিন্নমূল মানুষসহ প্রাণীকুল যবুথবু হয়ে রয়েছে। কুয়াশার কারণে মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
সাহেবজোত গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কনকনে শীতে হাত-পা জড়োসড়ো হয়ে আসছে। কোনো কাজ করার মতো শক্তি পাওয়া যাচ্ছে না। তবু জীবন-জীবিকার তাগিদে কাজে যেতে হচ্ছে।’
রণচন্ডি এলাকার পাথর শ্রমিক রাজিউর রহমান বলেন, ‘নদীর পানি বরফের মতো ঠান্ডা, কোনোভাবে পানিতে পা নামানো যায় না। কিন্তু সীমান্তবর্তী নদী মহানন্দায় ভোর ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত পাথর-বালু তোলার সময় বেঁধে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। তাই বাধ্য হয়ে ঠান্ডা উপেক্ষা করে নদীতে নামতে হচ্ছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও হিমেল বাতাস আর ঘনকুয়াশায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভুত হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এই শৈত্যপ্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। বর্তমানে পঞ্চগড় জেলার উপর দিয়ে মৃদ্যু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
এনএইচ