পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা সন্তানকে ড্রামের পানিতে চুবিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদারহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৪ আগস্ট সৌরভ হোসেন ও ফাতেমা বেগমের ঘরে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। সোমবার সন্ধ্যার পর হঠাৎ শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা ফাতেমার কাছে জানতে চাইলে তিনি ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেন। একপর্যায়ে তার কথাবার্তায় সন্দেহ হলে পরিবারের লোকজন শিশুটির খোঁজ শুরু করেন।
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়িতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য রাখা একটি প্লাস্টিকের ড্রামের পানিতে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা দাবি করেছেন, শিশুটি সারাদিন কান্নাকাটি করত। এতে তিনি ঘুমাতে পারতেন না। এ কারণেই তিনি সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে দেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ বলেন, মাত্র ১৪ দিনের শিশুর এমন মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত কারণ বের করার পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, নবজাতককে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের সদস্যদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।
এস