রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক এলাকা থেকে তাকে একটি খণ্ডিত ত্রিশূলসহ গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তাকে সীতাকুণ্ড থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে ভূজপুর থানার গহিন পাহাড়ি এলাকার শ্রী শ্রী পাতাল কালী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে। মন্দির থেকে একটি পিতলের ত্রিশূল চুরি করার পাশাপাশি দানবাক্স ভেঙে আনুমানিক ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায় চোর।
চুরির পর মন্দিরের লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানান। একই সঙ্গে মন্দিরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
পরে জেলা পুলিশের তদারকিতে চোর শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়। একপর্যায়ে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক এলাকা থেকে নয়নকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে খণ্ডিত ত্রিশূলটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন চন্দ্র নাথ চুরির কথা স্বীকার করেছেন। তিনি ভক্ত সেজে মন্দিরে প্রবেশ করে সুযোগ বুঝে ত্রিশূল নিয়ে যান এবং দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি করেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এর আগেও তিনি ওই মন্দিরে চুরি করেছিলেন।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মামলার বাদী শিমুল কুমার নাথ জানান, চুরি যাওয়া ত্রিশূলটি পিতলের তৈরি। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা।
তিনি বলেন, রোববার ব্রাহ্মণ পূজা দিয়ে বের হওয়ার পর দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে চুরির ঘটনা ঘটে। পরে তারা ভূজপুর থানায় অভিযোগ করেন।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, চুরির পর মন্দিরের লোকজন পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করলেও নয়নকে গ্রেপ্তারের পর শুরুতে তারা মামলা করতে রাজি হচ্ছিলেন না। পরে পুলিশের জোরাজুরিতে মামলা করেন তারা।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলায় নয়নকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এস