বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের সাহিতপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ ইব্রাহিম খলিল ওই ইউনিয়নের চেংজানা গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে। তিনি সাহিতপুর বাজারে মনোহারি দোকান চালাতেন। অভিযুক্ত যুবক সুমন মিয়া একই গ্রামের কাদের নেওয়াজের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুমন প্রায়ই দোকান থেকে বাকিতে জিনিসপত্র নিতেন এবং পরে টাকা পরিশোধ করতেন না। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি দোকানে এসে ইব্রাহিমের কাছে বাকিতে সিগারেট চান। তবে ইব্রাহিম বাকিতে সিগারেট দিতে অস্বীকৃতি জানালে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে সুমন দোকানের সামনে বিক্রির জন্য রাখা একটি বোতল থেকে পেট্রোল নিয়ে দোকানের ভেতরে ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে ইব্রাহিম খলিল দগ্ধ হন। দোকানের অধিকাংশ মালামালও পুড়ে যায়।

1734e51f-a057-4a8f-9922-1ab15a835b01_20261002_151242473

ঘটনার পর বাজারের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন।

সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলাম বলেন, আগুনে ইব্রাহিম খলিলের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে। তার অবস্থা গুরুতর।

ওসি মো. তরিকুল ইসলাম আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সুমন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। দগ্ধ ইব্রাহিমের স্বজনেরা বর্তমানে ঢাকায় তার চিকিৎসায় ব্যস্ত। তারা এলাকায় ফিরে থানায় মামলা করবেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।

এমএম