বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সীমান্তসংলগ্ন চড়ুইকুড়ি (মরার চর) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও স্থানীয় বিএনপি নেতা আজাহার মেম্বারের পক্ষের সঙ্গে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পটল মণ্ডলের পক্ষের লোকজনের বিরোধ চলছিল। গত সোমবার রাতে ভারত থেকে আসা মাদককে কেন্দ্র করে নতুন করে এ বিরোধের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।
এরপর কয়েক দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, বাগ্বিতণ্ডা ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং গুলির শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয়রা জানান।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে টেঙ্গর পেটে সড়কির আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহত টেঙ্গর পটল মণ্ডলের ছোট ভাই বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় সুমন মিয়া (৫০), হাদু মণ্ডল (৭০), রাশিদুল (৩৫), ফটিক (৫৫), বজলু (৫৫), আজাদ মণ্ডল (৬০) ও রাজু মণ্ডল (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মণ্ডল বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দিন ধরে বিরোধ ও উত্তেজনা চলছিল। ভারত থেকে আসা মাদক ও পাতার বিড়ির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়েছে বলে তিনি জানান।
দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার তথ্য তারা পেয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ঘটনাটি সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় হওয়ায় সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এস











