বৃহস্পতিবার সকালে নন্দিনীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট- ২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রোকন উদ্দিন বাবুল, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।
এদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার বিকেলে গ্রেপ্তার রঞ্জিত কুমার (৪২) ও তার ছেলে বিধান চন্দ্রকে (২০) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিনের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জানা গেছে, এক মাস আগে ওই শিশুর বড় ভাইয়ের (১৩) সঙ্গে নলকূপের নালার পানি প্রবাহ নিয়ে বিধান চন্দ্রের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। ওই বিরোধের জের ধরে শিশুটিকে হত্যা করেন বিধান। পরে লাশ বস্তায় ভরে মাটিচাপা দেয়।
পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, অভিযুক্ত বিধান চন্দ্র হত্যার দায় স্বীকার করেছে। পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও ক্ষোভ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে সে জানিয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত ও তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান বলেন, ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও সরকারি সম্পদ নষ্টের ঘটনায় প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথক মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।