সকালে সূর্য্যের মুখ দেখা গেলেও আকাশে কুয়াশার কারণে রোদের প্রখরতা ছিল খুব কম। কুয়াশায় মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেছে। এদিকে কুয়াশার প্রভাব কিছুটা কমলেও উত্তরের হিমেল বাতাস আর কনকনে শীতে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ কমছে না।’

কৃষ্ণকান্তজোত গ্রামের মহিলা পাথর শ্রমিক আমিনা বলেন, ‘কনকনে শীতে হাত-পা হ্যাম হয়ে আসছে। এলাকায় কোনো কাজও নাই। পাথরের কাজে বুড়াবুড়ি যাচ্ছি।’

বাংলাবান্ধা এলাকার আব্দুর রহমান বলেন, ‘মহানন্দার পানি বরফের চেয়েও ঠান্ডা। নদীতে পাথরও পাওয়া যায় না। সরিষার তেল মেঘে কোনো রকমে পানিতে পা নামিয়ে পাথর কুড়ানোর চেষ্টা করছি।’

তেঁতুলিয়ার আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক রোকনুজ্জামান বলেন, আজ বুধবার সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক 0 ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও হিমেল বাতাস আর ঘনকুয়াশায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভুত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন এই শৈত্যপ্রবাহ বিরামান থাকতে পারে।

এনএইচ