পরে পুলিশ বাদী কুমারখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মামলায় আসামিদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মাদক ব্যবসায়ী খন্দকার ময়েজ উদ্দিন ওই এলাকার মৃত মনসুর আলীর ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে কুমারখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২০০৭ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চারটি মামলা রয়েছে। দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকীকে কেন্দ্র করে ছেঁউরিয়ায় এলাকায় বছরে দুটি বড় স্মরণোৎসবসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা হয়ে থাকে। এ সব অনুষ্ঠানতে কেন্দ্র করে মাদক সম্রাট ময়েজ উদ্দিন রমরমা মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হলেও ময়েজ ও তার সমর্থকরা মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। লালনের অনুষ্ঠান মানেই ' উন্মুক্ত মাদক সেবন ও আড্ডা' এমন ভ্রান্ত ধারণা ছড়ানোর পায়তারা করে আসছেন। ময়েজ নিজবাড়িতে রমরমা মাদকের আড্ডা ও ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। এসব নানা অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার রাতে যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ ময়েজ উদ্দিন ও তার ছেলে মেহেদী হাসানকে আটক করে।
কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে নিজবাড়ি থেকে এক কেজি গাঁজাসহ মাদকের বড় ব্যবসায়ী ময়েজ উদ্দিন ও তার ছেলে মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ময়েজের বিরুদ্ধে থানায় চারটি মাদক মামলা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘লালন মেলা মানেই মাদকের আড্ডা’ এমন ভ্রান্ত ধারণা থেকেই ছেঁউরিয়া এলাকায় মাদকের সয়লাব মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। আসন্ন লালন মেলায় কোনো মাদক ও মাদককারবারি - সেবনকারীর ঠাঁই হবেনা।
এমএম





