বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত রিমান্ডে নেয়ার এ আদেশ দেন। এর আগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় রবিউলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগের এসআই বিনয় কুমার রায়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এদিন আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামির রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে উপস্থাপন করি।

এদিন রিমান্ড শুনানি করতে আদালতে তোলার সময় গণমাধ্যমকে রবিউল বলেন, ‘আমি কিচ্ছু জানি না। বাংলাদেশে আমি প্রায়ই আসি। আমার অনেক বন্ধুবান্ধব আছে। ওনারা (পুলিশ) যা যা বলছে, তার কিচ্ছু পায়নি আমার থেকে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার বন্ধু কাওসারের সঙ্গে গার্মেন্টসের কাপড়ের ব্যবসা করি। এজন্য প্রায়ই বাংলাদেশে আসি। আমি কোন বিদেশি গোয়েন্দা এজেন্টের না।’

রিমান্ড আবেদনে ভারতীয় এই নাগরিকের সন্দেহজনক কার্যক্রমের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, রবিউল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার মাটিয়া থানার গৌড়ি ভোজ গ্রামের বাসিন্দা শহীদুল ইসলামের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর রোডের ৬০ নম্বর বাসার নিচতলা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, রবিউল ইসলাম গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। এরপর তার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে পাসপোর্ট দেখালেও পরবর্তীতে তার কাছে থাকা ভারতীয় পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ভারতী নাগরিক কার্ড পরীক্ষা করা হয়। এতে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ভারতী নাগরিক কার্ডে থাকা জন্ম তারিখের সঙ্গে পাসপোর্টের জন্মতারিখের কোনো মিল পাওয়া যায়নি বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এমএম