বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একটি পরীক্ষা চলাকালে কারিব চৌধুরী দুই পায়ের মাঝখানে মোবাইল ফোন রেখে ব্যবহার করছিলেন। বিষয়টি নজরে আসার পর তাঁর উত্তরপত্র জব্দ করা হয়।

নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর পর সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে তাঁর উত্তরপত্র জব্দ করা হয়। ওই সময় উত্তরপত্রে পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তরের কিছু অংশ লেখা ছিল।

পরে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সেবা জেমিনিতে করা একটি সার্চের তথ্য পাওয়া যায়। সেখানে ওই পরীক্ষার প্রথম প্রশ্ন লিখে উত্তর খোঁজা হয়েছিল বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, জেমিনিতে পাওয়া উত্তরের সঙ্গে কারিব চৌধুরীর উত্তরপত্রে লেখা দুই লাইনের হুবহু মিল পাওয়া যায়। এরপর উত্তরপত্র, মোবাইল ফোনসহ সংশ্লিষ্ট আলামত জব্দ করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

ঘটনাটি পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদে উত্থাপন করা হয়। গত ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত পরিষদের সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। এরপর শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যে পরীক্ষায় নকলের অভিযোগ ওঠে, সেটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পরবর্তী দুটি পরীক্ষায় তাঁকে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ফাতহুন কারিব চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধ জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

এমএম