এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বাড্ডা থানার পূর্ব বাড্ডা এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত অলি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফপুর গ্রামের মৃত আসাদ মিয়া ও নাজমা বেগমের ছেলে। তিনি পূর্ব বাড্ডার জোড়াখাম্বা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং পেশায় অটো-রিকশাচালক ছিলেন।
বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, নিহতের মাথার পেছনে, বাম কানের নিচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া মাথার খুলি ফেটে গেছে এবং একটি ফুলহাতা শার্ট দিয়ে মুখমণ্ডল শক্ত করে বাঁধা ছিল। ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এসআই মাহমুদুল হাসান বলেন, টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
নিহতের খালাতো ভাই রুবেল জানান, গত ২১ জুলাই থেকে অলি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার অটোরিকশা উদ্ধার হলেও তিনি নিখোঁজই ছিলেন। পরদিন পূর্ব বাড্ডার বালুর মাঠ এলাকায় ময়লার স্তূপের পাশে অলির ব্যবহৃত স্যান্ডেল ও রক্তমাখা একটি পাঞ্জাবি পাওয়া যায়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে তদন্ত শুরু হয় এবং পরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
রুবেলের দাবি, অলির বন্ধু জাহিদ কয়েক মাস আগে অলির মা নাজমা বেগমের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। সেই টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। পুলিশ ওই বিরোধের বিষয়টিও তদন্ত করছে।