নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনায় গ্রেফতার র‌্যাব সদস্য রুহুল আমিনকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে (রিমান্ড) পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম চাঁদনী রূপম এ আদেশ দেন।

প্রথম দফার রিমান্ড শেষে আজ রুহুলকে আদালতে হাজির করা হয়। তাকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলামের করা মামলায় রুহুলকে দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

গত ৭ অক্টোবর পটুয়াখালীর বাউফলে গ্রেফতার হন রুহুল। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের মাধ্যমে প্রথম দফায় তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং জ্যেষ্ঠ আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন।

৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের এবং পরদিন একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় পৃথক দুটি হত্যা মামলা করা হয়। এখন পর্যন্ত র‌্যাবের তিন শীর্ষ কর্মকর্তাসহ মোট ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সাতজনকে অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে এর মধ্যে র‌্যাবের তিন শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ১২ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন ১৪ জন।

জেএ