আপিল বিভাগের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারক সৈয়দ মাহমুদ হোসেন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে।

আজ (শুক্রবার) দুপুরে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ তার নিয়োগ আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।

তাকে দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের আদেশের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বঙ্গভবনের মুখপাত্র মো. জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, আগামীকাল (শনিবার) সন্ধ্যা ৭টায় নতুন প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়াবেন প্রেসিডেন্ট।

গত ১০ নভেম্বর সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা পদত্যাগ করেন। প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য থাকায় আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞা ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের একমাত্র ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতেই। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।”

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগে পাস করে আইন পেশায় যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেয়।

২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের শেষ বছরে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান মাহমুদ হোসেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার দুই বছর পর ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি মাহমুদ হোসেন আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর তিনি অবসরে যাবেন।

এমবি