বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করা হলেও তার তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব বাজারে পড়েনি বলে জানিয়েছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।
বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি করলা ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৭০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটল ৬০ টাকা এবং ঝিঙা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ধন্দুল ৬০ টাকা এবং ঢেঁড়স ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টি কুমড়ার দাম প্রতি কেজি ৫০ টাকা। অন্যদিকে লাউ প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৫০ টাকা এবং জালি প্রতি পিস প্রায় ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম প্রতি কেজি ১২০ টাকা।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর মালিবাগ বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী সাইদুর রহমান বলেন, বাজেট ঘোষণার পরদিন বাজারে এসে তিনি কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করেননি। তার মতে, সবজির দাম আগের মতোই রয়েছে; না বেড়েছে, না কমেছে। বেশিরভাগ সবজি ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে থাকলেও কিছু পণ্যের দাম ১২০ টাকা পর্যন্ত রয়েছে।
একই ধরনের মন্তব্য করেছেন রাজধানীর বাড্ডা এলাকার এক বাজারে কেনাকাটা করতে আসা সুলতান আহমেদ। তিনি বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি। বাজেট ঘোষণার পরও সবজি আগের দামে বিক্রি হচ্ছে।
রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা ইয়াসিন আলীর ভাষ্য, মাসের শুরুর দিকে সবজির দাম তুলনামূলক বেশি ছিল। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। অধিকাংশ সবজি ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে। তিনি জানান, মৌসুম না থাকায় টমেটো ও শসার দাম তুলনামূলক বেশি। বর্তমানে টমেটো প্রতি কেজি ১২০ টাকা এবং শসা ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্য বেশিরভাগ সবজির দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিক্রেতা ও ক্রেতাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অন্তত আপাতত নতুন বাজেটের কোনো সরাসরি প্রভাব রাজধানীর সবজির বাজারে দেখা যাচ্ছে না। বাজারে দাম মোটামুটি স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে এবং বেশিরভাগ সবজি এখনো ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে।