শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজি ও চাল-ডালের দরের এমন চিত্র দেখা গেছে।
বর্তমানে প্রতি কেজি মুলা ২৫-৩০ টাকা এবং শালগম ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোল ও লম্বা বেগুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমে ৩০-৪০ টাকায় নেমেছে। এ ছাড়া শিম ও মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৫০ টাকা এবং পেঁপে ৪০ টাকায় মিলছে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও করলা ৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।
এর বাইরে দেশি গাজরের কেজি ৪০ টাকা, কাঁচকলার হালি ৪০ টাকা ও ছোট সাইজের প্রতিটি লাউ ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে, পাকা টমেটোর কেজি এখনো ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১০০-১২০ টাকা কেজিতে মিলছে। বাজারে মটরশুঁটির দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমে ১০০ টাকায় নেমেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চালের দাম ৩-৪ টাকা বেড়েছে ৮৩ থেকে ৮৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, রশিদ মিনিকেটের দাম ৭২ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫ টাকা, নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় এবং দামি মিনিকেট মোজাম্মেলের দাম কেজিতে ১-২ টাকা বেড়ে ৮৫-৮৬ টাকা হয়েছে।
এছাড়া, বাজারে দেশীয় ও আমদানি করা উভয় ধরনের নাজিরশাইল চালের দাম বেড়েছে। ধরনভেদে দেশি নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয়েছে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে। সপ্তাহখানেক আগে যা ৩-৪ টাকা কম ছিল। আর আমদানি করা নাজিরশাইলের দাম কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৭৫-৭৮ টাকা হয়েছে।
খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, বছরের এই সময়ে আউশ, আমন ও নাজিরশাইল চাল বাজারে আসে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খুচরা দোকানে এসব চাল বিক্রি হতে শুরু করবে। সাধারণত প্রতিবছর এসব চাল বাজারে আসার পরে পুরোনো চালের দাম কেজিতে ১-২ টাকা বাড়ে। কিন্তু এবার নতুন চাল বাজারে আসার আগেই পুরোনো চালের দাম ৩-৪ টাকা বেড়েছে। নতুন চাল আসার পরে পুরোনো চালের দাম আরও বাড়তে পারে।
এনএইচ