দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও (চবি) চলছে ভর্তি পরীক্ষা। পরীক্ষার পর ফলাফলও প্রকাশিত হচ্ছে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে। এদিক থেকে কিছুটা ব্যতিক্রম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে ফলাফল প্রকাশে কিছুটা সময় নিচ্ছে, সেখানে রাতারাতি ফলাফল প্রকাশ করে থাকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত হওয়া কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ অধিভুক্ত বি-৭ (শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট) ইউনিটের প্রকাশিত ফলাফল নিয়ে অসংগতির অভিযোগ উঠেছে।
এ নিয়ে তারপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে সরব ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষায় অংশ নেয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থীর অভিযোগ তাদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের প্রাপ্ত জিপিএ যোগ না করেই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
ফাহাদ নামের ভর্তিচ্ছু এক শিক্ষার্থী এ প্রতিবেদক কে জানান, বিশেষজ্ঞ শিক্ষক দিয়ে আমরা আমাদের পরীক্ষায় দেয়া উত্তর যাচাই করে প্রাপ্ত জিপিএ ছাড়া যে নাম্বার পেয়েছি প্রকাশিত ফলাফলে এর চেয়েও অনেক কম নম্বর পেয়েছি। ফলে মেধা তালিকায় আমরা অনেক পিছিয়ে পড়েছি। আমাদের উত্তরপত্র পুনরায় মূল্যায়নের দাবি জানাচ্ছি। তার এ কথার সাথে সুর মেলান আফরিন, রাফসান, সৌমিক, তাহজিবসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করেই শতভাগ সতর্কতার সঙ্গে ত্রুটি বিচ্যুতি ছাড়াই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রতিটি উত্তরপত্র ওএমআর মেশিনের সাহায্য নিরীক্ষণ করা হয়। যাতে কোনো ধরনের ভুল না হয়।
তবে বেশ কয়েকবছর ধরে বিশেষ করে কলা ও মানব বিদ্যা অনুষদের অধিভুক্ত ইউনিট গুলোর ফলাফলে এ ধরনের অসংগতির অভিযোগ উঠছে। গত বছরও এমনি একটি অভিযোগ উঠেছিল বি-১ ইউনিটের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে। যদিও ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা সংশোধন করে।
এ প্রসঙ্গে কলা ও মানব বিদ্যা অনুষদের ডিন ও ভর্তি কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী বলেন, বি-৭ ইউনিটের ফলাফল পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত। সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে প্রাপ্ত জিপিএ যোগ করেই উত্তরপত্র নিরীক্ষণ করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভুল সংশোধনের একমাত্র ক্ষমতা পরীক্ষা কমিটির। কমিটি যদি মনে করে এটিতে কোন ত্রুটি রয়েছে তবেই সংশোধন করা সম্ভব।
জারিফ





