সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটিগুলোকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১২(৩) ধারা অনুযায়ী কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে।
‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ ওয়েবসাইট তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি
ডাকসুর উদ্যোগে ‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ নামে ওয়েবসাইট চালুর ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) এ কমিটির আহ্বায়ক।
কমিটির সদস্যরা হলেন— প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা), আইন অনুষদের ডিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
অনুমতিহীন স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের ঘটনায় তদন্ত
বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আইন থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।
ডাকসু ভবনের পশ্চিম পাশে কলাভবনসংলগ্ন এলাকায় এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্মৃতিস্তম্ভ দুটি স্থাপন করা হয়েছে।
এ কমিটিরও আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরকে (প্রশাসন)। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন, আইন অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। এস্টেট ম্যানেজার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
জিন্নাহ-মালেকের ছবি প্রদর্শনও তদন্তের মুখে
ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং তৎকালীন ছাত্রসংঘ নেতা আব্দুল মালেকের আলোচিত ছবি প্রদর্শনের ঘটনা তদন্তেও পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) এ কমিটির আহ্বায়ক। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আইন অনুষদের ডিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। এস্টেট ম্যানেজার কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সম্প্রতি সংস্কার শেষে ডাকসু সংগ্রহশালা নতুনভাবে চালু হওয়ার পর সেখানে জিন্নাহ ও আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনের বিষয়টি সামনে আসে। এনিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এক শিক্ষার্থী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফ্রেম ভাঙচুর করেন। ছবিগুলো অপসারণের দাবিতে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনও প্রতিবাদ জানায়।
এনএইচ





