১ ফেব্রুয়ারি সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এই পরীক্ষা দেশের বাইরেও অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বাইরে জেদ্দা, রিয়াদ, ত্রিপলী, দোহা, আবুধাবী, দুবাই, বাহরাইন এবং ওমানের সাহামের মোট আটটি কেন্দ্রে ৪০৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।

শনিবার শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ‍নুরুল ইসলাম নাহিদ এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মুহ. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘এই পদ্ধতি অনেক আগেই শুরু হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নেবে। তাদের জন্য আগে পরীক্ষাপত্র ও প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়। একই প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর এই দুই পরীক্ষার মধ্যে ১০ মিনিট সময়ের ব্যবধান থাকবে।

গতবারের এসএসসির মতোই এবার বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া সকল বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ ধরনের পরীক্ষার্থীদের এবং শ্রবণ প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন (অটিস্টিক এবং ডাউন সিনড্রোম আক্রান্ত) পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় এবং পরীক্ষার কক্ষে তার অভিভাবক/শিক্ষক/সাহায্যকারী নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ বছর অটিস্টিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সাতজন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নির্দিষ্ট তারিখে পাবলিক পরীক্ষা শুরু ও ফলাফল প্রকাশের যে ধারা আমরা শুরু করেছি তা একবারও ব্যত্যয় হয়নি।

তত্ত্বীয় পরীক্ষা পয়লা ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৮ মার্চ শেষ হবে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ৯ মার্চ শুরু হয়ে ১৪ মার্চ শেষ হবে। পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সফলভাবে অনুষ্ঠানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’

এমকে