চাঁদাদাবিসহ বিভিন্ন অভিযোগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের পদ হারানোর পর রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও ডাকসু থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
একইসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতির ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানা হয়েছে।
আজ রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে এই দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডাকসু ভবনের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, এর মধ্যে রাব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং শোভন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের সদস্য।
বির্তকিত এ দুইজন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের এমন দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থাকাকে ভালো চোখে দেখছেন না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি নুরুল হক নুর। দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
নুর বলেন, এমন বিতর্কিত ব্যক্তি যদি ডাকসু এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে আসীন থাকেন, তাহলে খোদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে সবার নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হতে পারে। যেহেতু তারা নানা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়িত, সেহেতো তাদের উচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে পদত্যাগ করা।
শিক্ষার্থী জাহিদ সুজন বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসু জি এসকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
চাঁদাবাজির অভিযোগে যারা দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার হয়েছেন তারা ডাকসু ও সিনেটের সদস্য হিসেবে থাকতে পারেন না। আমরা অবিলম্বে তাদের ডাকসু ও সিনেটের সব পদ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানাই’।
এএস





