জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেরানীগঞ্জের নতুন ক্যাম্পাসের ১৮৮ একর ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয় এর প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, কেরানীগঞ্জে শিক্ষার আলো ছড়াতে সাহায্য করবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। সর্বাধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে। শুধু দেশে না, সারাবিশ্বে এর নাম ছড়িয়ে পরবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রমান বলেন, এই জমি পেয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় যেমন লাভবান হয়েছে, এখানকার এলাকাবাসীও লাভবান হয়েছে। ব্যাবসা বাণিজ্য এবং আবাসনে উপকৃত হবেন। কেরানীগঞ্জের মানুষ কোন আন্দোলন ছাড়াই পূর্নাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছেন। এখানে আজীবন জ্ঞানের অনুশীলন, অনুসন্ধান ও গবেষণা হবে।

তিনি ক্ষতিগ্রস্থদের কোন ধরনের হয়রানি ছাড়া বিনিময় মূল্য নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রশাসককের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ সময় উপাচার্য আগামী মাসের মধ্যে দ্রুত চেক হস্তান্তর সম্পন্ন করে জেলা প্রশাসক এই জায়গাটা নকশা অনুযায়ী বুঝিয়ে দেওয়ার আহ্বান করেন।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ অক্টোবর সচিবালয়ের ১১৭তম সভায় জগন্নাথকে আধুনিক ও বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় করতে কেরানীগঞ্জে প্রায় ২০০ একর ভূমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। চলতি বছরের ২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয় প্রায় ৯০০ কোটি টাকার চেক।

ফারুক/এমবি