২০ দলীয় জোটের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে খাবার সরবারাহ বন্ধ, ক্যাবল লাইন ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়াসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনে সরকারের স্বেচ্ছাচারী আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪১ জন শিক্ষক।
রোববার ১৪১ জন শিক্ষক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতির মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আয়োজনসহ সরকারের নিকট চার দফা দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিবৃতিতে শিক্ষকরা অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ের বাহিরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সকল অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধের দাবি জানান। একই সাথে কার্যালয়ের টিভি ক্যাবল, ইন্টারনেট সংযোগসহ সকল নাগরিক সেবা পুণরায় চালু করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।
বিবৃতিতে সরকারের প্রতি চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, অবিলম্বে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম-মহাসচিব রহুল কবির রেজভীসহ সকল জাতীয় নেতার মুক্তি দিতে হবে। আমাদেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ইটিভি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, এনটিভির চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী ফালু এর মুক্তি এবং সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী শিক্ষকরা জরুরী ভিত্তিতে সংলাপের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী শিক্ষকরা হলেন, ইবি জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. তোজাম্মেল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আব্দুস শহীদ মিয়া, গ্রীণ ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. শহীদ মোহাম্মদ রেজওয়ান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. ইকবাল হোছাইন, প্রফেসর ড. মাখলুকুর রহমান, প্রফেসর ড. আবুল কালাম পাটোয়ারী, প্রফেসর ড. আফাজ উদ্দিন, প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান, প্রফেসর ড. নজিবুর হক, প্রফেসর ড. মমতাজুর রহমান, প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, প্রফেসর ড. আব্দুর রহমান আনোয়ারী, প্রফেসর ড. আ খ ম ওয়ালী উল্লাহ, প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, প্রফেসর মোহাম্মদ সেলিম, প্রফেসর ড. আলীনুর রহমান, প্রফেসর ড. আব্দুল হান্নান শেখ, প্রফেসর ড. রুহুল আমীন ভূঁইয়া, প্রফেসর ড. আক্রাম হোসেন মজুমদার, প্রফেসর ড. আব্দুল মালেক, প্রফেসর ড. ফারুকুজ্জামান খাঁন, প্রফেসর ড. আবু সিনা, প্রফেসর ড. ওলী উল্লাহ, প্রফেসর ড. জাকির হোসেন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান, ড. নাজিম উদ্দিন, ড. আব্দুল গফুর গাজী, ড. আব্দুল কাদের, ড. আকতার হোসেন, ড. সাব্বির আহমেদ, ড. কামরুজ্জামান, ড. সেলিম রেজা, ড. আব্দুর রাজ্জাক, ড. এয়াকুব আলী প্রমুখ।
ইআর





