বোরখা পরে স্কুলে আসায় বরিশালের অগৈলঝাড়া উপজেলার অর্ন্তভুক্ত পয়সা মাধ্যমিক স্কুল এন্ড কলেজের হাবিবা আক্তার নামের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে বেত্রাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে স্কুলের শিক্ষিকা ইসমতারা বেগমের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয় সাংবাদিক সমিতিতে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ নিয়ে হাজির হন ভুক্তভোগী ছাত্রীর ভাই আব্দুর রহমান (রনি)। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার বোন সব সময়ই বোরখা পরে স্কুলে যায়। কিন্তু ওই স্কুলের ইসমতারা বেগম নামের এক শিক্ষিকা সবাইকে বোরখা পরে আসতে নিষেধ করে। তারপরও ৫ জন মেয়ে নিয়মিত বোরখা পরে আসত। গত ৯ তারিখে ওই শিক্ষার্থীরা বোরখা পরে আসলে শিক্ষিকা রেগে এক পর্যায়ে বেত দিয়ে মারতে শুরু করেন। পরে ওই শিক্ষক বোরখা পরা মেয়েদের স্কুল থেকে বের করে দেয়। ওই ছাত্রী আবার ১০ তারিখে স্কুলে আসলে শিক্ষিকা আবার তাকে স্কুল থেকে বের করে দেয়।
ছাত্রীর ভাই আরো বলেন, মঙ্গলবার ওই শিক্ষিকা স্কুলে ঘোষণা দিয়েছে হাবিবা আসলেই তাকে মার দেওয়া হবে। এছাড়া এলাকার যুবলীগ নেতার ভাবী বলে ওই শিক্ষিকা পরিচিত। এই ভয়ে আমাদের পরিবারের কেউ স্কুলে গিয়ে কিছু বলতে পারছে না। ওই শিক্ষিকার ভয় দেখানোর কারণে আমরা আমার বোনকে নিয়ে ভয়ে আছি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে কথা বলেন। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরে তিনি ব্যস্ত বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি আর ফোন ধরেননি।
অভিযুক্ত শিক্ষিকার সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, যা কিছু হচ্ছে গ্রামের রাজনৈতিক কারণে হচ্ছে। তবে ক্লাসে শিক্ষক হিসাবে তাদের পোশাকের বিষয়ে বলেছি সবাইকে স্কুলের নিয়ম অনুযায়ী পোশাক পরে আসতে। তোমরা যে কয়েকজন বোরখা পরে আসো তোমরা সাদা ইস্কার্ফ পরে আসবে। এর বেশি কিছু হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
কেএইচ





