“আজকে প্রবেশিকা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে তোমরা যারা জ্ঞানের মহাসমুদ্রে প্রবেশ করলে তাদেরকে বৈশ্বিক আবহাওয়া, পরিবেশ দুষণ, জ্বালানি সংকট ও অর্থনীতির অস্থিরতা , জাতিগত উগ্র ধর্মীয় দ্বন্ধ-সংঘাত ও সহিংসতা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে। মুষ্টিমেয় বিপথগামী বিভ্রান্ত শিক্ষার্থীদের দ্বারা তোমরা কখনোই প্রভাবিত হবে না। ”জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান নবীণদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উন্নত বিশ্বে ব্যাপক হাওে এই খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে পক্ষান্তরে আমরা শিক্ষা খাতে জিডিপির মাত্র ২.৩% ব্যয় করি আর উচ্চ শিক্ষা খাতে ০.৭৯%।
বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে নবীনদের বরণ করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন । সকাল ১০ টায় পবিত্র কুরআন থেকে তিলওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
এরপর রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক বিভিন্ন অনুষদের ডীনদের নিকট ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়ার জন্য উপস্থাপন করেন। স্ব-স্ব অনুষদের ডীনবৃন্দ তাদের অনুষদের নবীণ শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেন।
নবীনদের বরণ করে নেয়ার পর নবীণদের পক্ষ থেকে ইংরেজি বিভাগের ছাত্র অংশুমান রশিদ ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী সাদমানী হক তাদের উচ্ছসিত অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.আব্দুল মান্নান।
এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আবু বকর সিদ্দিক, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের, এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও শিক্ষকবৃন্দ।
সর্বশেষে সভাপতির ভাষণে অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম নবীণদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমাদের আগমনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস আজ আনন্দ ও উদ্দীপনায় উদ্বেলিত। এ দিনটি তোমাদের মনে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে কারণ আজ আমরা তোমাদেরকে এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নিচ্ছি। আজ থেকে তোমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নবীণ সদস্য হিসেবে সত্য ও সুন্দরের স্বপ্ন দেখবে।”
এমবি





