শিক্ষাখাতকে অস্থিতিশীল করতে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে রবিবার দুপুরে ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের সঙ্গে এক মত বিনিময় সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাসের আন্দোলনে একাধিকবার বিভিন্নভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন উল্লেখ করে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন, সরকারের কিছু লোক শান্ত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অশান্ত করতে ষড়যন্ত্র করছে। সরকারকে বিপদে ফেলতে প্রধানমন্ত্রীকে ভুল পথে পরিচালিত করা হচ্ছে।

এ সময় অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা বেতন বাড়ানোর জন্য আন্দোলন করছি না। করছি নিজেদের মর্যাদা রক্ষার জন্য। হয় বেতন কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে হবে, নইলে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স থেকে শিক্ষকদের বাদ দিতে হবে।’

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিক্ষক নেতারা মতবিনিময় করবেন এবং শিক্ষকদের দাবি অবিলম্বে মেনে নেওয়া না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও এ সময় জানানো হয়।

মত বিনিময় সভায় ফেডারেশনের মহাসচিব ও ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রস্তাবিত অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণ করে সিলেকশন গ্রেড বহাল ও শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো প্রবর্তন করাসহ চার দফা দাবিতে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ও ১৩ সেপ্টেম্বর পূর্ণ দিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

এএইচ