শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. নিয়াজ আহমদের উপর হামলার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠেছে ক্যাম্পাস। ঘটনার পর থেকে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে সর্বত্র। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছেন।

বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা একাধিক হল ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহনকারী পরিবহন, প্রাইভেট কার ভাঙচুর করেছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ক্যাম্পাসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনার প্রতিবাদে বিকাল ৪ টায় শাবির শিক্ষক সমিতির সঙ্গে জরুরী সভা আহবান করেছেন উপাচার্য আমিনুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রি শেখর রায় বলেন, শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। বিকাল সোয়া ৩ টা পর্যন্ত হাসপাতালে ড. নিয়াজ আহমদের শরীরে কয়েক দফা অস্ত্রপচার হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে শিক্ষক ড. নিয়াজ আহমদের উপর হামলার ঘটনায় শাবির নিবন্ধক ইশফাকুল ইসলাম বাদী হয়ে সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গৌসুল হোসেন বলেন, এজাহারে হামলাকারী সমাজকর্ম বিভাগের ছাত্র ওয়েছ আহমদকে আসামি করা হয়েছে। সে সিলেটের গোল্পাগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের রফিক আহমদের ছেলে।

তিনি বলেন, সেমিস্টার পরিক্ষায় নম্বর কম পাওয়ায় মানসিক বিকারগ্রস্থতা থেকে সে হামলার ঘটনা ঘটায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। উদ্ভুত পরিস্থিত এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শাবিপ্রবির সমাজকর্ম বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদকে তার অফিসে ঢুকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ওয়েছ আহমদ নামে এক ছাত্র। গুরুতর অবস্থায় ওই শিক্ষককে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের পিটুনিতে আহত ওয়েছকেও একই হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।

ঢাকা, ২৮ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ