কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ওই নিয়োগ বন্ধ রাখতে উপাচার্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ (অধিশাখা-১৮) এর উপসচিব হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। আজ (সোমবার) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মজিবুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এমন একটি অভিযোগ জানায় শিক্ষক সমিতি।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (২৯ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। মন্ত্রণালয়ের চিঠিটি আজ (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ বলেন, “আমি এ মুহূর্তে কাউকে নিয়োগ দিইনি। কোনো নিয়োগ দিচ্ছি না। মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। চিঠির আলোকে কাজ চলবে।”

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, “আগামী ২ ডিসেম্বর উপাচার্যের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। মেয়াদের শেষ সময়ে তিনি কয়েকটি বিভাগে ও প্রশাসনের বিভিন্ন পদে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা করছিলেন।

তাঁর অনুসারী কিছু লোক এ ক্ষেত্রে নিয়োগ বাণিজ্য করার তৎপরতা চালাচ্ছিলেন। এ সব নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনার জন্য আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় ওই নির্দেশনা জারি করে।”

এমবি