বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ধুপখোলায় অনুষ্ঠিত সমাবর্তনে প্রায় ১৮ হাজারের ও বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের উদ্বোধনের মাধ্যমে সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুরু হয়।
সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ। সমাবর্তন বক্তা ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানে একমাত্র এমিরিটাস অধ্যাপক অরুন কুমার বসাক।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড.কামাল উদ্দীন আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেন, “গ্রাজুয়েটদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হয়ে দেশের সকল কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সময়ের চাহিদা ও জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার নিরিখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সুখ সগৌরবে এগিয়ে যাবে এমনটি সকলের প্রত্যাশা। দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি তোমাদের মাঝে লালন করবে। বর্তমান সমাজে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে রুখে দিতে হবে।”
এরপর ১ম সমাবর্তনে স্নাতক ১১ হাজার ৮৭৭ জন, স্নাতকোত্তর ৪ হাজার ৮২৯ জন, এম.ফিল ১১ জন, পিএইচডি ৬ জন, ইভিনিংয়ের ১ হাজার ৫৯৪ জন শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।
পদক প্রদানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ও সমাবর্তন বক্তা এমিরিটাস অধ্যাপক অরুন কুমার বসাক বক্তব্য রাখেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবর্তন উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা সকাল থেকে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় অনুষ্ঠানস্থলে আসতে থাকেন। সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া কালো গাউন আর সমাবর্তন ক্যাপ পরে এসেছেন। জীবনের স্মরণীয় মুহূর্তকে ফ্রেমবন্দি করছেন তারা।
সোহেল/এমবি





