ওরা গণিত শেখে, বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখে, স্বপ্ন ওদের বিশ্বজয়ের এমনই প্রত্যাশা নোয়াখালী আঞ্চলিক গণিত উৎসবে শিক্ষার্থীদের। আগের দিন গুড়িগুড়ি বৃষ্টি রাতভর বৈরী আবহাওয়া থাকার পরও উৎসবে যোগ দিয়েছে ১০১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৮৩জন শিক্ষার্থী।
'গণিত শেখো স্বপ্ন দেখো ম্লোগানে' শুক্রবার সকালে নোয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মধ্যদিয়ে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো আঞ্চলিক গণিত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টায় নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল তাজেরীন আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের উদ্বোধন করেন।
এর আগে নোয়াখালী বন্ধুসভার বন্ধুদের জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্যদিয়ে দিনব্যাপী উৎসবের শুরু হয়। এ সময় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভেন্যু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল তাজেরীন,
বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড পতাকা উত্তোলন করেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. আবুল হোসেন এবং আর্ন্তজাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পতাকা উত্তোলন করেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের চৌমুহনী শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফিরোজ আল-মামুন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভেন্যু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন। এরপর অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. আবুল হোসেন।
টানা দুই দিনের বৈরী আবহাওয়া থাকার পরও সকাল থেকে নোয়াখালী ছাড়াও ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলার শিক্ষার্থীরা উৎসবে যোগ দিতে সকাল সাতটা থেকেই ভেন্যুতে আসা শুরু করে। তিনটি জেলার ১০১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় আটশ শিক্ষার্থী এ উৎসবে যোগ দিয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সোয়া এক ঘণ্টার মেধা যাচাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়। উৎসবে চারটি বিভাগে ৫০ জন শিক্ষার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করে তাদের হাতে একটি করে পদক, টি-শার্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।
আঞ্চলিক গণিত বিজয়ীরা ৬ও৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় উৎসবে অংশগ্রহণ করবে। জাতীয় উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য নোয়াখালীতে বিজয়ীদের নোয়াখালী গণিত ক্লাবের উদ্যোগে ৭ জানুয়ারি থেকে স্পেশাল ক্যাম্প করানো হবে।
এছাড়াও যারা এর আগে ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেছ আগ্রহীরা এখনও অংশগ্রহণ করতে পারবে। বিস্তারিত জানতে ক্লাব সেক্রেটারি ও ক্যাম্প পরিচালক বরাবর যোগাযোগ করতে হবে।
এআর





