ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকায় মাথায় হাত পড়েছে ইবি এলাকার ব্যবসায়িদের। বাজারের প্রধান ক্রেতা ইবি'র শিক্ষার্থীরা। তাই ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় তাদের ব্যবসায় পুরোপুরি ধস নেমেছে। বেচা-কেনা না থাকায় ব্যবসায়িরা মূলধন ভেঙ্গে খেতে শুরু করেছে।

এদিকে ২০ দলের ডাকা সাধারণ মানুষের অধিকার ফির পাওয়ার আন্দোলনে দেশ অচল হয়ে থাকায় এই মুহুর্তে ব্যবসায়িরা অন্য কোনো নতুন বাজারেও যেতে পারছেনা।

বাস চাপায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় ৩৭ দিন বন্ধ থাকার পর ৭ ডিসেম্বর ক্যাম্পাস খোলার সংবাদে বুকভরে র্দীঘ শ্বাস নিয়েছিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাবসায়ীরা। কিন্তু সে সস্থির শ্বাসটা ছিল খনিকের। অবরোধের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আসতে শুরু করে ছিল। মাত্র দুই দিন পর ১০ জানুয়ারি কোনো কারণ ছাড়াই আবারও বন্ধ হয়ে যায় ক্যাম্পাস। আবারও শুরু হয় কষ্টের দিন।

ব্যাবসায়িদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা খুব কষ্টে দিনাতিপাত করছে। সংসার চালিয়ে ছেলে মেয়েদের লেখা-পড়ার খরচ দিতে দেয়ালে পিট ঠেকে গেছে ব্যবসায়িদের। এখন তারা মূলধন ভেঙে খাচ্ছে। কেউ কেউ নতুন কোনো বাজারে ব্যবসার চিন্তাও করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের ফটোকপি ব্যবসায়ী আবদুল মতিন বলেন, “আমরা সামান্য পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করি। ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় এখোন পুঁজি ভেঙে খাচ্ছি”। কাঁচামাল ব্যবসায়ি শরিফুল ইসলাম বলেন, “এভাবে ব্যবসা করা যায় না। আমারা দিন এনে দিন খাই, ক্যাম্পাস বন্ধ থাকলে আমদের দিনাতিপাত খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার টাকা দিতে পারছি না”। ক্যাম্পাসের হকার নির্জন নিলয় বলেন,“ আমার পরিবারে ৫ জন সদস্য, বেচা-কেনা নেই বললেই চলে। মহজনের কাছে এখনো দেনা করে মাল তুলতে হচ্ছে”।

কেএইচ