ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাস্পাসকে অনিয়ম ও সেশনজট মুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যাক্ত করেছেন ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদরাসা সেকশনসহ প্রশাসন ভবন কেন্দ্রিক দূর্নীতি ও অনিয়ম রোধ কল্পে পদক্ষেপ গ্রহণসহ বেশ কয়েকটি ব্যাপারে সভা থেকে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় সভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কোরাম সংকটের কারণে বিলম্বে দুপুর ১২টায় ১৪০ শিক্ষকের অংশগ্রহনে সভা শুরু হয়।
শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এ এইচ আক্তারুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান।
এছাড়া সভায় শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. আহসান উল্লাহ ফয়সাল, যুগ্ম-সম্পাদক ড. মুস্তাফিজুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমানসহ কার্যনির্বাহী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা সূত্রে জানা গেছে, উপস্থিত শিক্ষকদের উত্থাপিত দাবি ও পরামর্শের ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে শিক্ষক সমিতি।
দাবি গুলোর মধ্যে রয়েছে, মাদরাসা সংক্রান্ত নানা অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমন্ময়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে, আজ বৃহষ্পতিবার থেকে রোটেশন অনুযায়ী মাদ্রাসার দায়িত্ব বণ্ঠন, একাডেমিক ও সিন্ডিকেট সভা চাহিদানুযায়ী নিয়মিত করণ, নতুন ডরমেটরিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিধি অনুযায়ী বরাদ্দ প্রদান, নতুন শিক্ষকদের জন্য অতিদ্রুত আসবাবপত্র ও কক্ষ বরাদ্দ এবং শিক্ষার্থীদের মেধার যথাযথ মূল্যায়ন ও সেশনজট মুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করাসহ মোট নয় দফা প্রস্তাব সভায় গৃহিত হয়।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান বলেন-‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণের জন্য আমরা কাজ করার চেষ্টা করছি।
এক্ষেত্রে সকল শিক্ষকের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। অনিয়ম-দূর্ণীতি ও সেশনজট মুক্ত ক্যাম্পাস গঠনের জন্য আমরা বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। সিদ্ধান্ত গুলো বাস্তবায়নের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
এসএইচ





