নতুন হল নির্মাণ ও পরিত্যাক্ত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জায়গা স্থায়ী ভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে লিজ দেয়ার দাবীতে আন্দোলনরত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর আবারো ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
আজ এক প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, গতকালের মত আজও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি শরীফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে আন্দোলনকারীদের ওপর কয়েক দফা হামলা করে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা।
দফায় দফায় বর্বর হামলায় ১৫ থেকে ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এখনো তারা ক্যাম্পাসে ছাত্রদের জড়ো হতে দেখলে হামলা চালাচ্ছে। হলের দাবীতে দুই বছর আগে যখন জনগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছিল তখনও ছাত্রলীগ একই কায়দায় হামলা চালিয়েছিল।
আর বরাবরের মত প্রশাসন ও পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষার্থীদের দাবী ন্যায্য এবং এ দাবী আদায় হলে সব শিক্ষার্থীই উপকৃত হবে।
যখন সারাদেশের ছাত্রসমাজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে তখন ছাত্রলীগ তার বিপরীতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালাচ্ছে কার স্বার্থে? ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের প্রতি প্রশাসন ও পুলিশের নিরবতা এবং মদদ প্রমাণ করে ছাত্রলীগ সরকারের ইশারায় পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালাচ্ছে।
মূলত ছাত্রলীগের ইতিহাস সন্ত্রাসের ইতিহাস। লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি করতে গিয়ে বরাবরই ছাত্রলীগ ছাত্রসমাজের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা তাদের সন্ত্রাস সমৃদ্ধ ইতিহাসে আরেকটি অধ্যায় রচনা করেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের কাছে ছাত্রসমাজ মাথা নত করবে না। আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর হামলা অব্যাহত রাখলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। আমরা প্রশাসনের প্রতি আহবান রেখে বলতে চাই, অবিলম্বে হামলাকারী চিহ্নিত ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনতে হবে।
আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। ছাত্রদের নিরাপত্তার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আর সেইসাথে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবী মেনে নিতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজের হাত দূর্বল নয়।
এমবি





