ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটিরিয়ায় ভাংচূড় চালিয়েছে ইবি শাখা ছাত্রলীগ কর্মীরা। ক্যাফেটিরিয়ায় অবস্থিত শিক্ষক লাউঞ্জে বসে খাবার খেতে বারণ করলে এ ঘটনা ঘটায় ছাত্রলীগ কর্মীরা।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে ১০-১২ জন ছাত্রলীগ কর্মী এ ভাংচূড় চলায়। পরে অন্য গ্রুপের কর্মীরা ভাংচূড়কারীদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। প্রক্টর উভয় পক্ষের সাথে বসে বিষয়টি মিমাংসা করে দিয়েছে বলে জানা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী বেলা ১১টার দিকে সকালের নাস্তা করতে আসে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটিরিয়ায়। তারা শিক্ষক লাউঞ্জে বসে হৈহুল্লো করতে ছিল। এ সময় ক্যাফেটিরিয়ার এক কর্মচারী তাদের শিক্ষক লাউঞ্জ থেকে বাইরে যেতে বললে তাদের সাথে বাকবিতন্ডা শুরু হয়।

ক্যাফেটিরিয়ার এক কর্মচারী বলেন, “এ সময় এক ছাত্রলীগ কর্মী বলে আমাকে চিনিস না? আমি ছাত্রলীগ করি। শিক্ষক লাউঞ্জ হয়েছে তাতে কি।” কথা কাটাকটির এক পর্যায়ে ক্যাফেটিরিয়ার ম্যানেজার বিপ্লব হসেন আসলে তাকেউ মারধর করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। এ সময় তারা ক্যাফেটিরিয়ার বেশ কিছু আসবাব পত্র এবং জানালা ভাংচূড় করেছে। এদিকে তাৎক্ষণীক ভাংচূড়ের ঘটনা শুনে অন্য গ্রুপের কর্মীরা তাদের ধাওয়া দিলে পালিয়ে যায় ভাংচূড়কারীরা।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি শিক্ষকদের অভিযোগের কারণে শিক্ষক লাউঞ্জে শিক্ষর্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ক্যাফেটিরিয়ার ম্যানেজার বিপ্লব হসেন বলেন, “ ছাত্রলীগ কর্মীদের শিক্ষক লাউঞ্জ থেকে বাইরে যেতে বললে তারা আমাকে এবং আমার কর্মচারীদের মারধর করে। তারা বেশ কিছু আসবাব পত্র ভাংচূড় করেছে। ”

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এক ছাত্রলীগ কর্মী বলেন, “আমরা লাউঞ্জে বসে ছিলাম। ক্যাফেটিরিয়ার কর্মচারীরা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করলে তাদের সাথে কথা বাকবিতন্ডা হয়েছে।”

প্রক্টর প্রফেসর মাহবুবর রহমান বলেন, “ শিক্ষক লাউঞ্জে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রবেশ নিষেধ। বিষয়টি আমি জানার পর তাৎক্ষণীক উভয় পক্ষ্যের মধ্যে মিমাংসা করে দিয়েছি। এখন পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।”

এআই