২২ কিলোমিটার রাস্তা। যাতায়াতে প্রায় এক ঘন্টা সময় লেগে যায়। রাস্তার খানা-খন্দই প্রধান কারণ। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঝিনাইদাহ জেলার মহাসড়কের এমনটাই দশা। সাথে গাড়ির লক্কর-ঝক্কর অবস্থা তো আছেই। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িগুলো যথা সময়ে ছাড়ার পরেও নির্ধারিত সময়ে ক্যাম্পাসে পৌছাতে পারে না। এতে নির্ধারিত সময়ে ক্লাসে উপস্থিত হতে পারছে না শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

তাই সড়ক সংস্কারের দাবিতে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে ইবি শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে পরিবহণ চলাচল বন্ধ করে দিয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয়। অবরোধের কারণে রাস্তার দুই দিকে গাড়ির লাইন কয়েক কিলোমিটিার এলাকা ছাড়িয়ে যায়। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ যাত্রীদের। খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে ছুটে যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ইবি থানার ওসি। তারা আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলেন। পরে ইবি থানার ওসি রতন শেখের মাধ্যমে কুষ্টিয়া জেলার এসপি মেহেদী হাসানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ঝিনাইদহ শহর হতে ইবি ক্যাম্পাসে আসার ২২ কি.মি. সড়ক খানা-খন্দে ভরা। ঝুকিপূর্ণ এ সড়কে প্রায় সময়েই দূর্ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়ায় চালিত গাড়িগুলোর মান একেবারেই নয়-ছয়। লক্কর-ঝক্কর গাড়িগুলো ভাঙা রাস্তায় চলতে বিভিন্ন সমস্যা হয়।

এব্যাপারে ইবি থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মো: রতন শেখ বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে অবরোধ প্রত্যাহরের জন্য বল্লে তারা অবরোধ তুলে নেয়।’ তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবি ঝিনাইদহ জেলা কেন্দ্রীক হলেও তাদের তারা অবস্থান নেয় কুষ্টিয়া জেলার এরিয়ায়। সঙ্গত কারণেই বিষয়টি কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সমাধান করতে হয়েছে।’ পরে কুষ্টিয়ার এসপি মেহেদী হাসান ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে আলোচনা করে দ্রুত সময়ের মাঝে সড়ক সংস্কারের আশ্বাস দেন।

হিমেল/এমই