বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক সমন্বিত খসড়া নীতিমালা প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শিক্ষক সমিতি।
বুধবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেন সমিতির নেতারা।
তাদের দাবি, ইউজিসি কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য যে নীতিমালার প্রস্তাব করা হয়েছে তা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের স্বায়ত্তশাসন ধারণার পরিপন্থী। শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি সক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত যে নীতিমালা রয়েছে, সেটিই শিক্ষকদের জন্য গ্রহণযোগ্য নীতি।
ইবি শিক্ষক সমিতির শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন বলেন, “নিয়োগ, পদোন্নতি সংক্রান্ত নীতিমালার প্রচলিত পদ্ধতিই শিক্ষকদের জন্য কার্যকরী। ইউজিসি কর্তৃক খসড়া নীতিমালায় পদোন্নতির যে সকল শর্ত প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলো বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের প্রকিৃতি এবং শিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।”
তিনি আরও বলেন, “আজকের সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত আমরা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের কাছে জানাবো। ফেডরেশন এ ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত দিলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমারা পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষণা করবো। আর ফেডরেশন যদি কোন সিদ্ধান্ত না দেয় সেক্ষেত্রে অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে সাথে নিয়ে আমরা আন্দোলনে যাবো।”
ইবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আলোমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, “ইউজিসি যে নীতিমালা প্রনয়ন করেছে তা স্বায়ত্তশাসনের পরিপন্থী। বর্তমানে আমাদের যে নীতিমাল রয়েছে তা শিক্ষকদের জন্য বেশি কার্যকারী। আমরা চাই, এই নীতিমালাকে আরো যাচাই বাচাই করে শিক্ষকবান্ধব করা হোক।”
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আলোমগীর হোসেন ভূঁইয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মামুনুর রহমান, সদস্য অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, সহকারী অধ্যাপক জয়শ্রী সেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকরা।
মুনজুরুল/এমবি





