কোটা সংস্কার আন্দোলনের সংগঠন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক মো. রাশেদ খানের বাবা নবাই বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দিয়েছে ঝিনাইদহ সদর থানায় পুলিশ।
আজ (সোমবার) দুপুর আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার চরমুরাড়ীদহ গ্রাম থেকে তাকে থানায় আনা হয়।
ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমদাদুল হক শেখ জানান, নাম-ঠিকানা জানার জন্য তাকে থানায় আনা হয়েছিল। এরপরই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এর বেশি কিছু নয়।
এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা থেকে রাশেদ’সহ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আরও দুই যুগ্ম-আহ্বায়ক নুরুল হক নুরু ও ফারুক আহমদকে মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়া বলে জানান পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন।
সংগঠনটির যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি গেটের সামনে থেকে আমাদের রিকশা থেকে জোর করে নামিয়ে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়। সেখান থেকে আমাদের চোখ বেঁধে ডিবি অফিসে নেওয়া হয়।
পরে জানা গেছে, মিন্টু রোডে অবস্থিত মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-কমিশনারের কার্যালয়ে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়।
মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, “কথা বলার জন্য কোটা সংস্কার আন্দোলনের তিন নেতাকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছিল। পরে তারা চলে গেছেন।”
এমবি





