হাটহাজারী থানার ওসি প্রত্যাহার, প্রক্টরের পদত্যাগসহ ৬ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একাংশ দ্বিতীয় দিনের মতো ছাত্র ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। গতকাল পুলিশ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষের পর ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনেও বন্ধ রয়েছে শাটল ট্রেন চলাচল।
ফলে শিক্ষার্থীদের স্টেশনে এসে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। শাটল ট্রেন বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন শিক্ষার্থীরা। অবরোধকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ (০৮ এপ্রিল) সোমবার সকালে ষোলশহর স্টেশন মাস্টার (ভারপ্রাপ্ত) তন্ময় চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাটল ট্রেনে কোনো ধরনের অঘটন ঘটেনি আজ। তবে সকাল থেকে কোনো ট্রেন ছেড়ে যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয় ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আলোচনা করে ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে।
ক্লাস পরীক্ষাও স্থগিত বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) একেএম নূর আহমেদ। তিনি বলেন, ট্রেন-বাস না চললে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কীভাবে আসবে? স্বাভাবিকভাবেই ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত।
প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকবাসগুলোর ত্রুটি সারানো যায়নি। ফলে শিক্ষকরাও ক্যাম্পাসে আসতে পারেননি। যেহেতু শিক্ষকরা আসতে পারেননি, তাই আমরাও রেলওয়েকে শাটল ট্রেন বন্ধ রাখতে বলেছি।
এর আগে গতকাল রোববার অবরোধকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গেইট এলাকায়। এতে পুলিশসহ ৮জন আহত হন। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও ক্লাস হয়নি। তবে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অন্দোলনরত অংশটির নেতা ও ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর জীবন জানান, আটক ৬ ছাত্রলীগ কর্মীর মুক্তি, হাটহাজারী থানার ওসিকে প্রত্যাহার ও প্রক্টরের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এমবি





