‘আজকে সারা বাংলাদেশে যে ভাবে শিশুরা নির্যাতিত, পীড়িত ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে, এটা বঙ্গবন্ধুর সেই আদর্শের সোনার বাংলা নয়।
আমরা সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যেমে যদি এই জঘণ্য কাজের প্রতিরোধ না করতে পারি, তাহলে বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে ধিক্কার দিবেন আর বললেন শোক দিবস পালনের দরকার নেই, আপনারা সেই সমস্ত অসহায় শিশুদের পাশে যেয়ে দাঁড়ান।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তৃতায় এসব কথা বলেন, বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে প্রশাসনের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ভবনে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি প্রফেসর ড.মুহাম্মদ মিজানউদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ছাদেকুল আরেফিন-এর পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. চৌধুরী সারওয়ার জাহান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সায়েন উদ্দিন। আলোচনা সভা শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন, বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার প্রফেসর ড. এন্তাজুল হক।
সেলিনা হোসেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদাকে অনেক উঁচুতে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনিই জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় বক্তব্য প্রদান, তিনিই বিশ্বের কাছে বাঙালীর নিজস্ব শিল্প-সাংস্কৃতিকে পরিচয় করে দেন।
যার কারণে আজ নিজেদেরকে গর্বিত জাতি হিসেবে উপস্থাপন করতে পারি। তাই বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের কোন ইতিহাস রচিত হতে পারে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সর্ব অবস্থায় জনগণের কথা চিন্তা করতেন, জনগণের কথা বলতেন, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতেন।
তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল জনগণের ভালোবাসা। তার ভালোবাসা আর যোগ্য নেতৃত্ত¡ ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব ছিল না।’
এসময় তিনি সবাইকে বঙ্গবন্ধু দর্শণকে ধারণ করে করে পথ চলা আহবান জানান।
সভাপতির বক্তৃতায় ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মিজানউদ্দিন বলেন, ১৫ আগস্ট একটি শক্তি, সম্ভবনা ও গৌরবের। এই দিবসে আমাদের সকলকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে পথ চলতে হবে।
এসএইচ





