চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে (পিইসি) পাসের হার ৯৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ইবতেদায়ী সমাপনীতে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। এর আগে সকালে গণভবনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সার-সংক্ষেপ হস্তান্তর করেন তিনি।
দুটি পরীক্ষায় ৩০ লাখ ৮৮ হাজার ২৩৪ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে পাস করেছে ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ২৫০ জন। প্রাথমিকে মোট অংশ নিয়েছে ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৩৪ পরীক্ষার্থী। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৭ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩২ জন। অপরদিকে ইবতেদায়ীতে অংশগ্রহণ করেছে দুই লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৮১৮ জন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ৪ হাজার ৩৩২ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪ হাজার ১৬৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৬ দশমিক ১৪ শতাংশ।
ইবতেদায়ীতে ২০৯ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৯৮ জন। পাসের হার ৯৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ।’
গত বছরের তুলনায় পাসের হার প্রাথমিকে কমেছে শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭২ শতাংশ।
গত বছর প্রাথমিকে পাসের হার ছিল ৯৮ দশমিক ৫২ ও ইবতেদায়ীতে ৯৫ দশমিক ১৩ শতাংশ। দুটি পরীক্ষায় গত বছরের তুলনায় ৬ হাজার ৩৯৩ জন বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এবার দুটি সমাপনীতে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই লাখ ৮৭ হাজার ৮৪৬ জন। এরমধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই লাখ ৮১ হাজার ৮৯৮ জন, অপরদিকে ইবতেদায়ীতে পেয়েছে পাঁচ হাজার ৯৪৮ জন।
গত বছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল দুই লাখ ৮১ হাজার ৪৫৩। এরমধ্যে প্রাথমিকে দুই লাখ ৭৫ হাজার ৯৮০ জন, অপরদিকে ইবতেদায়ীতে পেয়েছিল পাঁচ হাজার ৪৭৩ জন।





