নিম্নমানের কাগজে কয়েক লাখ পাঠ্যবই ছাপিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় পাঠিয়েছে কয়েকটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান।

এ রকম দুই লাখ বই চিহ্নিত করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি। অনিয়মের অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে মুদ্রণ শিল্প সমিতি।

২০০৯ সাল থেকে বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক তুলে দিচ্ছে সরকার। তবে গত আট বছর ধরেই অভিযোগ উঠছে নিম্নমানের কাগজে বই ছাপার। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ এনসিটিবির পর্যাপ্ত তদারকির অভাবে এমন ঘটনা ঘটেই চলছে।

আগামী পয়লা জানুয়ারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ৩৫ কোটি ১৩ লাখ ২৬ হাজার ২০৭টি বই বিনামূল্যে বিতরণ হবে। দেশের চারশতাধিক ছাপাখানায় এগুলোর মুদ্রণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন চলছে উপজেলায় পাঠানোর কাজ। তবে এবারও কয়েক লাখ বই নিম্নমানের কাগজে ছাপার অভিযোগ উঠেছে।

এনসিটিবি জানিয়েছে নিম্নমানের কাগজে বই ছাপনোর অভিযোগের তদন্ত চলছে। জড়িতের বিল আটকে দিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুদ্রণ শিল্প সমিতি বলছে, গুটি কয়েকের জন্য দেশের পুরো মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে এগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। এবছরের পাঠ্যসূচিতে কোন পরিবর্তন নেই। শুধু বানানগত ভুল ত্রুটি সংশোধন করেছে এনসিটিবি।
জেড