রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত ছোট সাহিত্য পত্রিকা চিহ্নর উদ্যোগে ‘চিহ্নমেলা বিশ্ববাঙলা’ লেখক-সম্পাদক-পাঠকের দুইদিন ব্যাপী সম্মিলন শহীদুল্লাহ কলাভবন চত্বরে শুরু হয়েছে।
দেশের ও দেশের বাইরের থেকে প্রায় ৩ শতাধিক লেখক-সম্পাদক-প্রকাশক উপস্থিত হয়েছেন, আর সর্বমোট ১১০টি ছোট কাগজের স্টলে আছে।
সোমবার সকাল ১০টায় চিহ্নর ১৬ বছর এবং ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বিবেচনায় ১৬টি বেলুন ও ৭টি শান্তির পায়রা উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন লেখক প্রফেসর এমিরেটস আনিসুজ্জামান ও সেলিনা হোসেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক, সনৎকুমার সাহা, রাবি উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান, চিহ্নপ্রধান শহীদ ইকবাল প্রমুখ। পরে লেখক, পাঠক ও সম্পাদকের উপস্থিতিতে একটি শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।
‘চিহ্নমেলা বিশ্ববাঙলা’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের প্রথম দিনের কর্মসূচিতে ছিল বাঙালির চোখে শ্রেষ্ঠ বাঙালি শীর্ষক ‘আড্ডা’, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্মরণে ‘মার্চের কবিতা’, লেখক-পাঠক-সম্পাদক শীর্ষক ‘আড্ডা’, কবি কণ্ঠে কবিতাপাঠ ও বাউল গান এবং ভাওয়াইয়া গান আড্ডা।
‘চিহ্নমেলা-বিশ্ববাঙলা যেন বিশ্বে বাঙালী লেখক-সম্পাদক-পঠকদের মধ্যে বিশ্ব বন্ধুত্ত্বের ছোঁয়া। এখানে বাংলাদেশ-ভারতের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের অবস্থারনত বাঙালী সাহিত্য অনুরাগী ব্যাক্তিসাথে দেখা হচ্ছে, সত্যিই অসাধারণ একটা পরিবেশ। আর এই সহৃদয় প্রচেষ্টার মাধ্যেমে এত সুন্দর অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি কতৃপক্ষকে।’
এভাবেই নিজের অনুভূতি ব্যাক্ত করেন, কলকাতা থেকে চিহ্নমেলায় আগত কুবোপাখি ছোট সাহিত্য পত্রিকার প্রকাশক পারুমিতা ভট্টাচার্য।
ছোট কাগজের এ মেলায় সোম ও মঙ্গলবার সকাল-সন্ধ্যা বিরতিহীনভাবে চলবে প্রদর্শনী, ক্রয়-বিক্রয় ও মতবিনিময়।
উল্লেখ্য, রাবি থেকে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা চিহ্ন তৃতীয়বরের মতো এ মেলার আয়োজন করেছে। এর আগে দুইবার ২০১১ সালে ও ২০১৩ সালে এ মেলার আয়োজন করা হয়।





