‘পরিবেশের ওপর কোনো ধরনের বিপর্যয় না ঘটিয়ে কাজ সমাধা করা যায়, সে জন্য প্রয়োজন সদিচ্ছার। মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাস পরিবর্তন করলে পরিবেশ সুরক্ষা সম্ভব।’
আজ সোমবার বেলা এগারোটায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে আয়োজিত ‘নো ইমপেক্ট উইক ২০১৪’ অনুষ্ঠানে বক্তাগণ এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুন্নরাখার পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশও অক্ষুন্নরাখতে হবে। পরিবেশের দীক্ষা পরিবার থেকেই প্রথম দেয়া হয়।
এ জন্য পরিবারকে পরিবেশের ওপর সচেতন হতে হবে। বিশুদ্ধ পানি জীবনের জন্য অপরিহার্য। পানির প্রতি মমতা বাড়াতে হবে। পানির অপচয় রুখতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের ও পরিবেশবাদী সংগঠন রিদ্রদ্যালাইন এর প্রতিনিধি নুশরাত ইসলাম খান।
নুশরাত ইসলাম খান তাঁর প্রবন্ধে বলেন, দৈনন্দিন জীবন-যাপনে পরিবেশের ওপর ক্ষতি না করে কাজ করা যায়। একটু সচেতন হলেই বিদ্যুতের অপচয় রোধ করা সম্ভব। ঘর বা রুম থেকে বের হওয়ার সময় সুইচ বন্ধ করার অভ্যাস করলেই এটা সম্ভব।
বৃক্ষ নিধনে সর্তক থাকলে বন উজার রোধ করা যায়। সপ্তাহে একদিন গাড়ি বন্ধ কিংবা সাইকেল চালানোর অভ্যাস গড়ে তুললে জ্বালানী সাশ্রয় করা যায়। অফিস এবং বাসাবাড়িতে সোলার প্যানেল ব্যবহার করলে উৎপাদিত বিদ্যুতের ওপর ভরসা কমে যায়।
অপ্রয়োজনীয় কিংবা অতিরিক্ত খাদ্যদ্রব্য, বস্ত্র কেনাকাটা কমিয়ে দিয়ে অর্থ সাশ্রয় করা যায়। ব্যবহৃত বস্তুদ্রব্য পুন:ব্যবহারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ উপযোগ গ্রহণ করা যায়।
পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি ড. এ এন এম ফখরুদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. মো. খবির উদ্দিন, সহযোগী অধ্যাপক এ এইচ এম সা’দৎ প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে একটি র্যালি বের করা হয়। ‘নো ইমপেক্ট উইক ২০১৪’আগামী ২০ নভেম্বর বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শেষ হবে।
এসএইচ





