https://www.facebook.com/Shadik.Kayem.77/posts/122180986202678193?

ref=embed_post

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সাদিক কায়েম এ অভিযোগ করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, হলের এক ছাত্রকে প্রভোস্টের কক্ষে আটকে নির্যাতনের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছিলেন। একই সঙ্গে ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ ও প্রভোস্টের অপসারণের দাবিতেও আন্দোলন চলছিল। এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে গভীর রাতে ছাত্রদল হামলা চালায়।

সাদিক কায়েম দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে আসা ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে এফএইচ হল সংসদের নির্বাচিত ভিপি ও জিএসসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

তার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত আন্দোলনে প্রভোস্ট ও প্রশাসন ‘ভীত’ হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত ‘তালবাহানা’ করার পর ছাত্রদলের বহিরাগত নেতাকর্মীদের এনে হলে হামলা চালানো হয়।

পোস্টে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা এফএইচ হলের অফিসে অন্য হল থেকে আসা কাউকে থাকতে দেবে না বলে জানায়। তবে তাদের হামলায় খোদ এফএইচ হলের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাও আহত হয়েছেন বলে জানান সাদিক কায়েম।

এদিকে, একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনের স্ক্রিনশটও পোস্টে যুক্ত করেন ডাকসু ভিপি, যেখানে প্রভোস্টের কক্ষে নির্যাতনের শিকার হওয়া শিক্ষার্থীর বক্তব্য রয়েছে।

সাদিক কায়েমের ভাষ্য, এ হামলার মধ্য দিয়ে ছাত্রদলের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ‘নগ্ন চেহারা’ প্রকাশ পেয়েছে।

এমএম