জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং শাখা ছাত্রদল কর্মী ইয়ামিন ওসমান সম্রাটকে পিটিয়েছে একদল যুবক। তারা জবি ছাত্রলীগের কর্মী বলে অভিযোগ করেছে ছাত্রদল।
বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। একের পর এক নিজেদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে ছাত্রদল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শেষ করে সম্রাট প্রধান ফটক দিয়ে বের হচ্ছিলেন। এ সময় সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আগুন-শিশির ও জুয়েল গ্রুপের কর্মী অবস্থান করছিলেন। ছাত্রদল কর্মী পরিচয় পেয়ে ছাত্রলীগ কর্মী তাফসীর আহমেদ সৌরভ, শ্রাবণ হালদার সাগর, আশিক আবির, হাসিবুল হাসানসহ বেশকয়েকজন উত্তেজিত হয়ে তাকে মারধর করেন। এতে মাথায় আঘাত পান সম্রাট। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, ছাত্রদলকে ধ্বংস করার জন্য তারা পরিকল্পিতভাবে একেরপর এক হামলা চালাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে সম্রাট পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিনা কারণে মারবে ছাত্রলীগ তা তো হতে পারে না। আমরা উপাচার্য ও প্রক্টরের সাথে কথা বলবো। পরবর্তীতে কর্মসূচি ঘোষণা করবো। এছাড়া কোনো উপায় নেই। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাই।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেন, সে (সম্রাট) ছাত্রদল করে। ক্যাম্পাসে যে কোনো সময় অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন সন্দেহে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাকে গণধোলাই দিয়েছে।
এ বিষয়ে জবি প্রক্টর ড. নূর মোহাম্মদ বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। তবে ঘটনাটি পলিটিক্যাল নাকি ব্যক্তিগত সে বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। এখনো অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমই





