আগামীকাল ২৪ অক্টোবর সোমবার থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে প্রথম বর্ষ (সম্মান) ২০১৬-১৭ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা। এদিকে ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতারক চক্রগুলো।

যেকোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা আসলেই এক ধরনের অসাধু বা প্রতারক চক্র জালিয়াতির মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে থাকে।এতে করে কম মেধাবীরা টাকার জোরে ভর্তির সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে মেধাবীরা কম মেধাবীদের টাকার কাছে হার মানতে হয়।

এদিকে পরীক্ষা শুরুর আগেই ১১ অক্টোবার বিকেলে রাব্বুল আরশীল আজিম (রাশেদ) নামের এক শিক্ষার্থীকে হাতে-নাতে ধরে পুলিশের হাতে সোপার্দ করেছিল শিক্ষার্থীরা।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছরের মতো এ বছরও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী মেসগুলোতে অবস্থান নিয়েছে প্রতারক চক্রের একটি শক্তিশালী গ্রুপ। তারা তূলনামুলক কম মেধাবী ভর্তিচ্ছুদেরকে ভর্তি করার নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ফন্দি পেতেছে।

জালিয়াতি চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন মেসে গিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে চান্স পাওয়ার শতভাগ গ্যারান্টিও দিচ্ছে বলে একাধিক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী জানিয়েছে। তাছাড়া ভর্তি পরীক্ষার সময় আবাসিক হল ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে এসব চক্র ভূয়া প্রশ্নপত্র কেনা বেচা করে বলে বিশ্বস্থ সূত্র জানিয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভর্তি পরীক্ষায় অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ নিয়ে অন্যান্যবারের ন্যায় এবার নতুন কৌশল এটেছে প্রতারক চক্র। আবেদনের সময় নামে-বেনামে বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের কাগজ পত্র দেখিয়ে বাড়তি ফরম উঠায় এসব চক্র। পরীক্ষার দিন এসব বাড়তি ফরমে প্রতারক চক্রের সদস্যরা প্রবেশপত্রে ভর্তিচ্ছুর ছবি পরিবর্তন করে সেখানে রাবি ও ঢাবিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ছবি লাগিয়ে প্রক্সির মাধ্যমে নিরাপদে পরীক্ষা দেয়।

ভর্তি পরীক্ষার আবেদন পত্র দুই পার্ট বিশিষ্ট হওয়ার কারণে তারা সহজেই এসব বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে বলে জানা গেছে। অথচ ঢাবিসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশপত্রের তিনটি অংশ করা হয়।

এআই