ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতি নিয়ে আবারও টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে। ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ল্যাবের কর্মচারিরা এই অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করে।
গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় ইবি প্রেস কর্ণারে এ সংবাদা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে তারা কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোঃ আতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে টাকা দাবির অভিযোগ করে। টাকা না পেয়ে আতিয়ার ভিসিকে চাপ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করিয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ করে কর্মচারীরা।
সংবাদ সম্মেলনে তারা লিখিত ভাবে জানায়, আমাদের অনেকেরই যোগ্যতা থাকে সত্বেও পনের বছরের অধিক চতুর্থ শ্রেণীতেই কার্মরত আছি। বিগত কোন প্রশাসন আমাদের পদোন্নতির কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করেনি।
অবশেষে বর্তমান উপাচার্য আমাদের বক্তব্যের যৌক্তিকতা বিবেচনা করেন এবং তিনি ২৬ আগস্টের মধ্যে আবেদন করার নির্দেশ দিয়ে একটি অভ্যান্তরিন বিজ্ঞপ্তি জারী করেন।
এমন সময় নাটকীয়ভাবে কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো: আতিয়ার আমাদের প্রত্যেকের কাছে দুই লক্ষ টাকা দাবি করে। অন্যথায় বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করে দেওয়ার হুমকি দেয় আতিয়ার।
তারা আরো বলেন, ইতপূর্বে বেশ কয়েকবার আতিয়ার পদোন্নতির আশ্বাস দিয়ে ল্যাব কর্মচারীদের থেকে টাকা নিয়েছে। কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি। তারা বলেন এইবার যেহেতু মাননীয় উপাচার্য আমাদের পদোন্নতির বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারী করেছে তাই আমরা এবার আতিয়ারের কথায় কর্ণপাত না করে দরখাস্ত প্রস্তুত করেছিলাম। ]
হঠাৎ গত সোমবার অফিস শেষে একটি বিশ্বস্থ সূত্রে জানতে পারি যে, সভাপতি আতিয়ার রহমান ভিসিকে চাপ দিয়ে আমাদের পদোন্নতির জন্য জারীকৃত বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করে দিয়েছে।
এ সময় কর্মচারীরা আতিয়ারের কাছথেকে ইতি পূর্বে যে টাকা দিয়েছে তা ফেরত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে তার বিচার দাবি করে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট কর্মচারিদের পদোন্নতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেখানেও আতিয়ারের বিরুদ্ধে অর্ধকটি টাকা বণিজ্যের অভিযোগ করেছিল ভূক্তভুগিরা। এ বিষয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আজ পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় নি।
টাকা দাবির বিষয়ে আতিয়ার বলেন- “ এবার টাকা পয়সার বিষয়ে তাদের সাথে আমার কোন কথা হয় নি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।” তবে ইতপূর্বের টাকার বিষয়ে আতিয়ার বলেন- “ সে টাকা আরেক জন মেরে দিয়েছে।”
এ বিষয়ে ভিসি প্রফেসর আবদুল হাকিম সরকারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ভিসির ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এআই





