নিরাপদ সড়ক’র দাবিতে রাস্তায় নামা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখে তাদের মা-বাবারাই তুলে দিলেন খাবার।
আজ (বৃহস্পতিবার) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পঞ্চম দিনে এমনই দৃশ্য দেখা যায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে।
ঘটনাস্থল থেকে সংবাদদাতারা জানান, সায়েন্স ল্যাব এবং গুলশান’সহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিভাবকদের দেখা যায় বিক্ষোভরত ছাত্র-ছাত্রীদের নাস্তা বিতরণ করতে।
এছাড়াও, আজ (২ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নিজেদের সন্তানদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে অনেক অভিভাবককে আন্দোলনে যোগ দিতে দেখা গেছে।
শিক্ষার্থীদের খাবার দেওয়া ও আন্দোলনে অভিভাবকদের অংশ নেওয়ার সেসব ছবি ও ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পায়।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২৯ জুলাই) দুপুরে বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনার বিষয়ে সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি হিসেবে নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এসময় তিনি হেসে হেসে এই বিষয়ে দায়ীদের শাস্তির কথা জানানোর পাশাপাশি এই দুর্ঘটনার সঙ্গে ভারতের মহারাষ্ট্রে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৩ জন নিহত হওয়ার তুলনা করেন।
পরিবহন শ্রমিক ও মালিকদের নেতা হিসেবে নৌমন্ত্রীর প্রশ্রয়ে বাসের চালক ও হেলপাররা স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠছে- এমন অভিযোগে শাজাহান খান হেসে হেসে বলেন, “আজকের বিষয়ের সঙ্গে এটি রিলেটেড নয়। মহারাষ্ট্রে এক দুর্ঘটনায় ৩৩ জন নিহত হলেও কোনও হৈ চৈ হয় না। অথচ বাংলাদেশে সামান্য কিছুতেই হই চই হয়।”
গত ২৯ জুলাই শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী মারা গেলে তার সহপাঠীরা এর বিচার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে। এরপর, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা সেই আন্দোলনে যোগ দেয়।
এমবি





